অদ্য ০১/০৯/২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ রোজ বরিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দেশব্যাপী সকল জনগনের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে যশোর জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসন, যশোর এর সহযোগিতায় অন স্পট র্যাপিড টেস্টের মাধ্যমে ঝুকি ভিত্তিক খাদ্য নমুনা পরীক্ষার নিমিত্তে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্ধোধন করা হয়। উক্ত পরীক্ষাগারের শুভ উদ্ধোধন করেন যশোর জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসক জনাব মুহাম্মদ আবরাউল হাসান মজুমদার। আরো উপস্থিত ছিল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) জনাব এস এম শাহীন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট জনা কমলেশ মজুমদার।
ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার উদ্ধোধন শেষে যশোর শহরের দড়াটানা মোড়, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড, পিটি আই রোড, চৌমাথা এলাকার বিভিন্ন খাদ্য স্থাপনা থেকে পাউরুটি, ঘি, দুধ, মধু, তেল এর নমুনা নিয়ে অন স্পট টেস্ট করা হয়। তিনটি পাউরুটির নমুনার মধ্যে একটি নমুনায় পটাসিয়াম ব্রোমেটের উপস্থিত পাওয়া যা পাউরুটিতে ব্যবহার মানবুস্বাস্থ্যের অত্যন্ত ক্ষতিকর। দুধ , ঘি এর নমুনায় কোন ভেজাল পাওয়া যায়নি। তেলের তিনটি নমুনায় অলিও টেস্ট কীটের মাধ্যমে টেস্টে দুটি নমুনায় পোলার কম্পাউন্ডের উপস্থিত পাওয়া গেছে যা একাধিকবার তেল পোড়ালে এবং একই তেল বারবার ব্যবহারের হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। দুইটি মধুর নমুনা পরীক্ষায় একটিতে মধুর নমুনায় ইভার্ট সুগারের উপস্থিত পাওয়া গেছে।
ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারে খাদ্য পরীক্ষা কার্যত্রুমের নেতৃত্ব দেন যশোর জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা জনাব আব্দুর রহমান। আরো উপস্থিত যশোর সদর উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক জনাব মো মহিবুল, ল্যাব টেকনেশিয়ান জনাব জুরাইচ, নমুনা সংগ্রহ সহকারি জনাব কৃষ্ণ চদ্র রায়। যেসব খাদ্য স্থাপনার খাদ্য থেকে খাদ্য নমুনা পরিক্ষা করে ভেজাল পাওয়া যায় সেসব প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্তৃপক্ষকে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ ও বিক্রয়ে নিরাপদ খাদ্য আইনের সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, খাদ্য সংরক্ষন ও ভোক্তাদের স্বাস্হ্য ঝুঁকি এড়াতে নিয়ম মানতে নির্দেশনা দেয়া হয় এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা সংবলিত পোস্টার ও লিফলেট প্রদান করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ যথাযথভাবে প্রতিপালন করে ব্যবসা পরিচালার মাধ্যমে ভোক্তাকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরনের লক্ষ্যে জনস্বার্থে এ কার্যত্রুম অব্যাহত থাকবে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস